Saturday, July 25, 2020

বৃষ্টির ছাঁট

বৃষ্টিরা সব ঝাঁপিয়ে এল কালকে রাতে
জানলা-কপাট সপাট আঘাত গ্রিলকে করে।
তীব্র ছিল আলিঙ্গনের দাপট তখন,
নবাব-শহর পায়ের তলায় লেপ্টে রাখে
স্মৃতির মানিক, অলি-গলির গল্প অনেক
নাট্য-কাব্য; সিক্ত বাসে হূরের দলও গজল বোনে।

বর্ষাতুলি এমনি আঁকে রূপকথাদের
গাড়িরে চাকার তুফান ভেজায় শৈশবকে।
গাছের পাতার আঁজলা পানির ফিসফিসানি
'বইতে থাকুক ধারার শ্রাবণ অভিমানিন।  

Thursday, July 16, 2020

হতাশা

হঠাৎ করেই গান ধরেছে আজ হতাশা
তানপুরাতে সপ্তসুরের ধারাস্নান
জীর্ণ বাড়ির দরজা ঘেঁষে সবুজ বাসা
মনের  কোনে দিচ্ছে উঁকি হেলায় রাখা এক অভিমান।

মহীনের ঘোড়াগুলি

তারা জেনেছিল মানুষে মানুষে নক্ষত্র-দূরত্বের শাপ;
তারা বলেছিল ধাঁধাতুল্য প্রেমের সংলাপ।
তাদেরি গান আকাশ-খিড়কিতে দেয় উঁকি,
অন্তরে ছোটে আজো মহীনের অদম্য ঘোড়াগুলি।

নীলাম

নীলাম ঘরে দর উঠেছে, বিক্রি হবে গদি;
কে যেন এক বলেছিল 'গণ'রাই সব যন্ত্রী?
স্বপ্ন-নিদ্রা ভঙ্গ হলে রগড়ে চক্ষু দেখি,
ভাঙ্গা কেদারায় দাদু বসে, পুকুর গেছে চুরি।

বারিশ

পশলার বৃষ্টিতে ধুয়ে গেছে
এ শহর, নুয়ে গেছে
গাছ, মাটি, আর যত স্থিরতা।
বয়সের ভার স্নাত, চকমকে দৃঢ়তা।
আজ সব ধুয়ে সাফ
সব খুন আজ মাফ
মোর শহরকে ছাপিয়েছে ছলছল
স্নেহভরা বাদরা সে, স্নিগ্ধ, কী টলমল।
কোথা আছ বাহিরাও
মোর সাথে ভিজি লও
শহরের আঙ্গনে বাদরা, মন প্রাণ মতওয়ালা
তাল সুর মধুমাখা, উপচায় প্রকৃতির পিয়ালা।
আজ শ্যাম বাঁশি লয়, আজ নট নাচি যায়
পার্বতী, রাধিকা, সেই তাল শিখি লয়
বারিধারা সুর তোলে সব নদী তান ধরে
বর্ষার পারাবারে সকলে ভাসিতে চাহে
মোর শহরকে ভাসায়েছে ভরসা
মোর শহরের অঙ্গনে জুটিয়াছে, বরষা।

Sunday, May 3, 2020

বিশ শব্দের গল্প #৫

"তোর বাড়িতে আমাদের ব্যাপারটা বলতে পারবি তো?" রমেনের প্রশ্ন। ট্রেন ছাড়ে। কাঞ্চনের কানে মার গলা, "এ মেয়েকে তোর পছন্দ হব্বেই।"

বিশ শব্দের গল্প #৪

মালটার একঘন্টার পরিশ্রম সার্থক! জালটা বেশ টান টান হয়েছে। রোদের আলোয় সেটা চকমকিয়ে উঠছে মাঝে মাঝেই। অনীশের চটি ধেয়ে গেল।