Saturday, September 10, 2016

পথ চলা

পতিত পথ, কাহিনীর হাট।
পথিকেরি কাছে ঠাকুমার ঝুলি।
কিছু ধূলি-ধূসরিত, কিছু সুরভিত বাট,
চারণের গান, চেনা সে গোধূলি।

অমৃতের স্বাদ সেই তো জেনেছে
পথের পিরিতে পথে যে ফিরেছে।

মহীনের ঘোড়াগুলি

তারা জেনেছিল মানুষে মানুষে নক্ষত্র-দূরত্বের শাপ;
তারা বলেছিল ধাঁধাতুল্য প্রেমের সংলাপ।
তাদেরি গান আকাশ-খিড়কিতে দেয় উঁকি,
অন্তরে ছোটে আজো মহীনের অদম্য ঘোড়াগুলি।

সময়

পাতা ঝরার সময় আসে,
বয়েস কেবল সামনে হাঁটে।

স্মৃতির গুচ্ছ সামলে রেখে,
একটুখানি হাতড়ে নিয়ে,
জীবনধারা জলকে চলে।

বার্তালাপ

ভয় পেও না, ঘাবড়িওনা
শান্তি-সেনার পদধ্বনির,
সুফল পাবে তোমরাই।
গুজবেতে কান দিওনা,
শুনোনা কেউ তার কথা,
সত্যিটা ভাই দেশপ্রেমিক,
আর সত্যিটা কই আমরাই।

কেন এত লোক মরছে?
থামছে না তো রক্ত-স্নান!
কবে সবাই এক হবে ফের,
বাজবে রবাব, গাইবে গান?

বন্দি --
এ-সব প্রশ্ন কালের পাতায়,
কিংবা দিল্লি-দরবারে।
ইঁট-পেলেট এর জবানবন্দি;
মানুষ ব্যস্ত কোন্দলে।

বৃষ্টি

আর আসিস নে ঝেঁপে, বুকটা ওঠে কেঁপে।
খড়কুটোর সে ঘর, উড়িয়ে নিল ঝড়।
ছেলে ছিল দস্যি বড়, জলের তলে শান্ত হল!
আর কি নিবি বাপ আমার?
ক্ষেত, খামার, গাঁ উজাড়।

চর্বিত চর্বণ

পুরনো ছবি ঘুরিয়ে দেখা
শিল্পীর তুলি মর্চে ধরা।
জং ধরা বাকে বাগীশের প্রেত,
প্রতিবাদ? না কি রোজনামচা?

ওষ্ঠ-মিলনই নয় চুম্বন,
অধর-সুধা তো হৃদি দর্পণ!

গোত্র

গোত্রের গাত্রে হিংসার নির্যাস।
জন্মের প্রভাতে প্রতিশ্রুতি
কোন সম্ভাবনার?
মানবতার অবক্ষয়, বহমান ত্রাস
রক্তস্নান, কৌলীন্য-গরিমার স্তুতি,
জন্ম দেয় কি রূপকথার?